বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্মাণাধীন ওই তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে একসঙ্গে এতজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রকল্প কর্মকর্তা এবং নির্মাণশ্রমিকেরা বিনা বাধায় বাইরে ঘোরাফেরা করছেন। তবে প্রকল্পের সব কর্মকর্তা ও শ্রমিকের করোনা পরীক্ষা করানো হবে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

প্রকল্প এলাকাসংলগ্ন দোকানি মো. জহির বলেন, ‘কিছুদিন ধরে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়েকজন শ্রমিক আমার দোকানে কেনাকাটা করতে এসে বলেছেন তাঁরা জ্বর-সর্দিতে ভুগছেন। কিছুদিন ধরে আমারও জ্বর ছিল। স্থানীয় ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে সেবন করে এখন একটু সুস্থ আছি।’

ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন বলেন, চীনা শ্রমিকদের মধ্যে এভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়লে বাংলাদেশি শ্রমিকেরাও আক্রান্ত হতে পারেন। তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরের চীনের শ্রমিকেরা বাইরে ঘোরাফেরা ও বিভিন্ন দোকানপাটে যাচ্ছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যেও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।

বরগুনা সিভিল সার্জন মারিয়া হাসান বলেন, তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত চীনের ২২ নাগরিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

জানতে চাইলে বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, করোনায় আক্রান্ত চীনের নাগরিকদের আলাদা কোয়ার্টারে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁদের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য পরিবহন ও অক্সিজেনের ব্যবস্থাও আছে। এ ছাড়া ওই প্রকল্পের সব কর্মকর্তা ও শ্রমিকের করোনা পরীক্ষা করানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন