বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ওই মাছ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে থানা-পুলিশ। নগরের রূপাতলী এলাকায় ‘স্বাধীন পার্ক’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের দোতলার একটি কক্ষ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, রুবেল খন্দকারের ডান কান দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এ ছাড়া তাঁর গলায় কালো দাগ ছিল। ফলে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বলে ধারণা করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রুবেলের স্ত্রী বীথি আক্তার বলেন, তাঁদের দুই সন্তান। তাঁদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামে হলেও রুবেল পরিবার নিয়ে বরিশাল নগরের জিয়া সড়কে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। রূপাতলী এলাকায় মাছের ব্যবসা ছিল তাঁর। গতকাল সকালে তিনি বাসা থেকে রূপাতলীর উদ্দেশে আসেন। এরপর রাতে আর ফেরেননি। তবে বেশি রাত হলে তিনি বাসায় না ফিরে ওই হোটেলে থাকতেন। গতকাল রাতে খবর পান, হোটেলে তাঁর স্বামীর লাশ পাওয়া গেছে।

বীথি আক্তার বলেন, খবর পেয়ে তিনি হোটেলে এসে স্বামীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে। তিনি সন্দেহ করছেন, ব্যবসায়িক শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণে হোটেল কক্ষে তাঁর স্বামীকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে গেছে। এ জন্য তিনি হত্যা মামলা করেছেন।

ময়নাতদন্ত শেষে আজ বিকেলে রুবেলের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। পরিদর্শক লোকমান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রুবেল খন্দকারের মৃত্যু রহস্যজনক মনে হচ্ছে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন