বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঢাকার ট্যানারির মালিকদের কাছে দুই বছর ধরে বকেয়া রয়েছে। এর ফলে এ ব্যবসায় শ্রমিক ও পুঁজি খাটিয়ে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বরিশালের ব্যবসায়ীদের অনেক সময়ই লোকসানে চামড়া বিক্রি করতে হয়। এরপরও যদি সেই টাকা আটকে থাকে, তবে নতুনভাবে ব্যবসায় টাকা লগ্নি করা কতটা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে, তা ভেবে দেখতে হচ্ছে।

এবারের ঈদে পশুর চামড়ার ব্যবসায় না থাকার কথা জানিয়েছেন খোদ জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান। এমন পরিস্থিতিতে নগরের পদ্মাবতী এলাকার চামড়া আড়তগুলো ঘুরে দেখা যায়, সেখানের চামড়া ব্যবসায়ীদের অনেকে দোকানঘর ছেড়ে দিয়েছেন, আবার কেউ ব্যবসার ধরন পাল্টে পোশাক ও জুতা-স্যান্ডেলের দোকান দিয়েছেন। আর যে দু-একজন টিকে আছেন, তাঁদেরও আগাম কোনো প্রস্তুতি দেখা যায়নি।

পদ্মাবতী এলাকার চামড়া ব্যবসায়ী নাছির উদ্দীন বলেন, টাকার জন্য ট্যানারির মালিকদের কাছে ধরনা দেন। কিন্তু তাঁরা কোনো সাড়া দেন না। সরকারের নির্দেশে উপজেলা চেয়ারম্যানদের কাছে টাকা নিয়ে টালবাহানাকারী ট্যানারির মালিকদের তালিকা দেওয়ার পর থেকেই এমন অবস্থা। এখন তাঁরা (মালিকেরা) সরকারের কাছ থেকে টাকা নিতে বলছেন।

ঈদ মৌসুম ছাড়া আগের বছরগুলোতে বরিশাল থেকে ৩৬ হাজার পশুর চামড়া ঢাকার ট্যানারিগুলোতে যেত। আর শুধু কোরবানির ঈদেই বরিশাল থেকে ঢাকার ট্যানারিগুলোতে যায় ৩০ হাজারের মতো পশুর চামড়া।

পদ্মাবতী এলাকার ব্যবসায়ী নাছির বলেন, এবার ৩০০ টাকায় চামড়া কিনে আরও ৩০০ টাকা খরচ করে সংরক্ষণের পর বিনিয়োগের পরিমাণ ৬০০ টাকাও উঠবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন