বিজ্ঞাপন

বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, বরিশাল বিভাগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান শুরু হয়। ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগের ৬ জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার (ভারতে স্থানীয়ভাবে যার নাম কোভিশিল্ড) প্রথম ডোজ নিয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৩০৩ জন। এরপর থেকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া বন্ধ আছে।

গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয় কোভিডের দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রদান কার্যক্রম। ১৩ মে পর্যন্ত বিভাগের ৬ জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ জন। সে ক্ষেত্রে প্রথম ডোজ নেওয়া ২ লাখ ৫০ হাজার ৩০৩ জনের মধ্যে এখনো দ্বিতীয় ডোজ নেননি ৯৮ হাজার ৭০৩ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, এখন তাঁদের হাতে মজুত আছে ২৮ হাজার ডোজ টিকা। এই ২৮ হাজার ডোজ টিকা প্রয়োগ করার পরও ৭০ হাজার ব্যক্তির দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রয়োজন হবে। কিন্তু সেই টিকা কবে নাগাদ পাওয়া যাবে, তার নিশ্চয়তা এখনো কোনো মহল থেকে পাওয়া যায়নি। ফলে, এ নিয়ে উদ্বিগ্ন টিকার প্রথম ডোজ নেওয়া ওই ৭০ হাজার ব্যক্তি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ হচ্ছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ১২ সপ্তাহ (তিন মাস) পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধির উদাহরণ রয়েছে। এর ফলে আরও বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় বলে বলা হচ্ছে। এ ধরনের টিকার ক্ষেত্রে দুটি ডোজ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে যদি কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ দেরিও হয়, তারপরও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া দরকার। কারণ, প্রথম ডোজে আসলে নতুন অ্যান্টিজেন শরীরের ভেতর প্রবেশ করে, দ্বিতীয় ডোজের মাধ্যমে সেটার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, ‘অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা প্রথম ডোজের পর ১২ সপ্তাহ, এমনকি তারপরও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যেতে পারে। ফলে দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। সরকার জোরালোভাবে টিকা সংগ্রহের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা আশা করছি, টিকার কার্যকারিতা সময়ের মধ্যে টিকা আসবে। এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন