বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সকালে নগরের মুক্তিযোদ্ধা পার্কসংলগ্ন বিআইডব্লিউটিএর প্রশিক্ষণ একাডেমি এলাকায় প্রথমে এই অভিযান শুরু হয়। এরপর ডিসিঘাট, স্টিমারঘাট ও নদীবন্দর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বেশ কিছু আধা পাকা স্থাপনা এক্সকাভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

মো. মারুফ দস্তগীর বলেন, যাঁরা অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করে আছেন, পর্যায়ক্রমে দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। পাশাপাশি নদীর সৌন্দর্য রক্ষায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসনের এই উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বিভাগীয় সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর হলেও আমাদের দাবি অনুযায়ী প্রশাসন কীর্তনখোলার তীরের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। পাশাপাশি ১৯৫০ সালের ভূমি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী নদীর তীরভূমির (ফোরশো) ৫০ ফুটের মধ্যে কোনো স্থাপনা থাকতে পারবে না। সে অনুযায়ী উচ্ছেদ ও স্থায়ী পিলার স্থাপনের জন্য প্রশাসনকে উদ্যোগ নেওয়ার আমরা দাবি জানাই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন