বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে এমআরডিআইয়ের এ আয়োজনে বিপুলসংখ্যক নারী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে তাঁদের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে না পারলে একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি এ জেলার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখেছি, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বরিশালে চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়েনি।

জেলা প্রশাসক বলেন, জনপ্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হিসেবে প্রথমেই কয়েকটি কাজে হাত দিয়েছি। সেগুলো হচ্ছে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউর সংখ্যা বাড়ানো, অক্সিজেন ব্যাংক স্থাপন, লিফটের ব্যবস্থা করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে বরিশালে হাজার একর আয়তনের দুটি ইকোনমিক জোন স্থাপন। এ ছাড়া এখানে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, আলাদা ক্যানসার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, চারটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ নানা প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে ক্যানসার হাসপাতালের কাজ শুরু হয়েছে, অন্যগুলো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে।

তরুণদের সবাইকে সরকারি চাকরির মুখাপেক্ষী হলে চলবে না বলে জানান জসীম উদ্দীন হায়দার।এ বিষয়ে তিনি বলেন, তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার, নেতৃত্ব দেওয়ার, উদ্ভাবন-উন্নয়নে অংশীজন হওয়ার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এ জন্য তাঁদের জ্ঞান অর্জন করতে হবে, নিজের ভেতরে যে উদ্ভাবনী শক্তি আছে, তা জাগ্রত করতে হবে।
এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও রানার আপ দলকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ছয়জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন