বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন মামলার প্রধান আসামি কথিত ‘দাদা বাহিনীর’ প্রধান জিয়াউল হক ওরফে লালন ও রিয়াদ সরদার। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন জিয়াউল হকের ভাই মামুন হাওলাদার ও এমরান হাওলাদার; বিপ্লব পাটনী এবং ওয়াসিম সরদার। তাঁদের মধ্যে এমরান পলাতক।

জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (বিশেষ পিপি) লস্কর নুরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সৌদিফেরত সোহাগ সেরনিয়াবাত উজিরপুর সদরে ব্যবসা করতেন। আসামিরা দুই লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে প্রথমে সোহাগকে মারধর ও তাঁর দোকান ভাঙচুর করেন। এরপরও চাঁদা না দেওয়ায় সোহাগের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন তাঁরা।

২০১৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে সোহাগ দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে তাঁর বন্ধু সাইফুলকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পৌর শহরের ভিআইপি সড়কে পৌঁছালে সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা সোহাগের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে উপর্যুপরি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর সোহাগের মামা খোরশেদ আলম বাদী হয়ে উজিরপুর থানায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। একই বছরের ১১ নভেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শাহাবুদ্দিন চৌধুরী ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

সোহাগের বাবা ফারুক সেরনিয়াবাত বলেন, প্রধান আসামিসহ ছয়জনের সাজা হওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। তবে ১০ জন আসামি খালাস পাওয়ায় উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। আসামিপক্ষের আইনজীবী কাজী মুনিরুল হাসান বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে যাবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন