বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দলের নেতারা বলছেন, এখন যেহেতু প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হয়ে গেছে, সে ক্ষেত্রে বাইরে থাকা নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের কোনো আশঙ্কা নেই। আর প্রশাসনেরও এসব আসামিকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা নেই। সে ক্ষেত্রে তাঁদের সমস্যা হবে না। বুধবার ৯ জন আসামির জামিন হয়েছে, এটা সমঝোতা প্রক্রিয়ারই অংশ। বাকিরাও জামিন পাবেন। মামলা নিষ্পত্তির বিষয়টি নিয়ে আইনি কিছু বাধ্যবাধকতা ও জটিলতা আছে। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকেই এটা করতে হবে। এ জন্য বিষয়টি সময়সাপেক্ষ।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘মামলা নিষ্পত্তি ও জামিনের বিষয়গুলোর সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া জড়িত। যা করতে হবে, সবই আইনের মধ্যে থেকেই করতে হবে। এ জন্য আমরা প্রক্রিয়াগুলো যাচাই-বাছাই করে ধীরে-সুস্থে এগোতে চাই।’ তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা হয়ে গেছে, তাই গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের জামিন পাওয়া ও মামলা নিষ্পত্তিতে সুবিধা হবে।

আইনজীবীরা বলছেন, প্রশাসন এবং পুলিশের দায়ের করা দুটি মামলায় অনেক ধারার উল্লেখ আছে, যার অধিকাংশই জামিনযোগ্য। আবার কিছু ধারা গুরুতর যেমন দণ্ডবিধির ৩০৭, ৩২৬ এবং ৩৫৩ জামিনযোগ্য না হলেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী চিফ মেট্রোপলিটন বা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য। বিচারিক আদালত যেকোনো অজামিনযোগ্য ধারায় জামিন প্রদানে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী ‘বিবেচনামূলক ক্ষমতা’ প্রয়োগ করে জামিন প্রদান করার পূর্ণ ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

হাইকোর্টের আইনজীবী হাসান তারেক এ প্রসঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন, দুই মামলায় তিনটি ধারা গুরুতর হলেও সে ক্ষেত্রে চিফ মেট্রোপলিটন অথবা অতিরিক্ত চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে জামিন দিতে পারেন। তবে বিবেচনামূলক ক্ষমতাও কেউ স্বেচ্ছাচারীভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন না। এ মামলার ক্ষেত্রে আসামিরা ওই আদালত থেকেই জামিন পেতে পারেন।

১৮ আগস্ট রাতে নগরের সিঅ্যান্ডবি সড়কে উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডে শোক দিবসের ব্যানার অপসারণ নিয়ে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইউএনওর সরকারি বাসভবনেও হামলার অভিযোগ করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন