বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল সংস্থার কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মাহবুব উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ৩ নভেম্বর সরকার হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। এ পরিস্থিতিতে নৌযান পরিচালনা ব্যয় বহু গুণ বেড়ে যায়। তেল, স্টিল ও অন্যান্য পণ্যের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। তাই ব্যবসায় টিকে থাকার লক্ষ্যে লঞ্চভাড়া ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ১ টাকা ৭০ পয়সার পরিবর্তে ৩ টাকা ৪০ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে ১ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণের জন্য অনুরোধ করা হলো। কিন্তু ওই প্রস্তাবে কোনো সাড়া না পেয়ে আজ বিকেল থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মাহবুব উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান আজ দুপুর ১২টার মধ্যে ভাড়া বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো সিদ্ধান্ত না দেওয়ায় মালিকেরা লোকসান দিয়ে লঞ্চ চলাচল অব্যাহত রাখতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে বাংলাদেশ নৌযান চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী সুন্দরবন নেভিগেশনের মালিক সাইদুর রহমান বলেন, ‘২০১৩ সালের পর একাধিকবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও লঞ্চভাড়া সমম্বয় করা হয়নি। চলমান প্রেক্ষাপটে আমরা চাই শতভাগ ভাড়া বৃদ্ধি করা হোক। করোনাকালে আমরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। লোকসান দিয়ে আর লঞ্চ চালানো সম্ভব নয়।’

লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে ঢাকা থেকে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় অর্ধশত পথে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। অপর দিকে দক্ষিণাঞ্চল থেকেও কোনো লঞ্চ রাজধানীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে না। গতকাল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর লঞ্চ চলাচল অব্যাহত থাকায় রাজধানীমুখী মানুষের ভোগান্তি কিছুটা কম হয়েছিল। তবে আজ লঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানী ও আশপাশের জেলার যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন