default-image

বরিশাল বিভাগে গত এপ্রিলে ৩ হাজার ২৯২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, যা বিভাগের মোট সংক্রমণের ২২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গত মাসে এই বিভাগে করোনায় সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ২৭ জন, যা বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর ১০ দশমিক ১১ শতাংশ।

এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় একজন করোনার রোগী মারা গেছেন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় মারা যান দুজন। এ দুজনের মধ্যে একজন করোনা শনাক্ত ও অপরজনের করোনার উপসর্গ ছিল। এ নিয়ে এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ৬১১ জন রোগীর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে উপসর্গ নিয়ে মারা যান ৪৩৩ জন। গতকাল সোমবার শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ২০০ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়। এর মধ্যে ৩১ জন করোনা শনাক্ত হন। ১৫৫ জনের ফল নেগেটিভ আসে। এতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় এখানে ১৯১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৩২ জন নেগেটিভ ও ৫৩ জন পজিটিভ হয়েছেন। অর্থাৎ করোনা শনাক্তের হার ছিল ২৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮৩জন চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে ৫৫ জন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। আর ২৮ জন করোনা শনাক্ত রোগী।

বিজ্ঞাপন
এই বিভাগে করোনায় সংক্রমিত মোট রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৬৮। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বরিশাল জেলায় ৬ হাজার ৬৭৩ জন এবং পটুয়াখালীতে ২ হাজার ১৩৬, ভোলায় ১ হাজার ৭৭৭, পিরোজপুরে ১ হাজার ৫৮৪, বরগুনায় ১ হাজার ২১৯ ও ঝালকাঠিতে ১ হাজার ২৭৯ জন।

এ দিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বিভাগের ৬ জেলায় গতকাল সোমবার পর্যন্ত ৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় সংক্রমিত মোট রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৬৮। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বরিশাল জেলায় ৬ হাজার ৬৭৩ জন এবং পটুয়াখালীতে ২ হাজার ১৩৬, ভোলায় ১ হাজার ৭৭৭, পিরোজপুরে ১ হাজার ৫৮৪, বরগুনায় ১ হাজার ২১৯ ও ঝালকাঠিতে ১ হাজার ২৭৯ জন।

বরিশাল বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২৬৭। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় রয়েছেন ১১৩ জন, পটুয়াখালীতে ৫০, ভোলায় ২৪, পিরোজপুরে ৩১, বরগুনায় ২৪ ও ঝালকাঠিতে ২৫ জন মারা গেছেন।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, সংক্রমণের গতি কয়েক দিন কিছুটা কম এবং তা ওঠানামা করছে। তবে আগের চেয়ে অনেকটা নিম্নমুখী। এর পেছনে সর্বাত্মক লকডাউনের সুফল রয়েছে। তবে সংক্রমণের নিম্নমুখী অবস্থা ধরে রাখতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন