২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৪৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১২ দশমিক শূন্য ৫৬। নতুন ৫৭ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ জন ভোলার। এ ছাড়া বরিশালের ১৬, পটুয়াখালীতে ১৪, পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে ১ জন করে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিভাগে গত মে মাসের মাঝামাঝি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। জুলাইয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেড়েছিল। তবে আগস্টের প্রথম সপ্তাহের পর তা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। বিভাগে এ পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত মোট ৬৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভাগে মৃত্যুহার এখন ১ দশমিক ৫০। তবে বরগুনায় তা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

অধিদপ্তরের তথ্য পর্যালোচনা করে আরও দেখা গেছে, চলতি বছরের মে থেকে আগস্ট—এই চার মাসে করোনায় ৪১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মে মাসে মারা গেছেন ২৪ জন। জুনে ৪৩, জুলাইয়ে ১৬২ আর আগস্টে মৃত্যু হয়েছে ১৮৫ জনের।

মৃত্যুর পাশাপাশি সংক্রমণের গতি গত তিন মাসে বেশি ছিল। জুনে শনাক্ত হয় ২ হাজার ৪৮ জন। জুলাইয়ে ৫ হাজার ২৫৮ আর আগস্টে ৯ হাজার ৯২৬ জন। গত বছরের এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৩ হাজার ৭৫৫ জনের।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, গত ১০ দিন বিভাগে শনাক্তের হার ২০ শতাংশের নিচে আছে। এটা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ সরকারের নানা উদ্যোগের ফল। তবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, এমনটি বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতির উন্নতি ধরে রাখতে হলে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ বাড়ানো ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন