বিজ্ঞাপন

তবে করোনা পজিটিভ রোগীর চেয়ে অনেক বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে করোনার লক্ষণ নিয়ে। বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে এক বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৩৩ জনের। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ ছিলেন ১৮৭ জন। বাকি ৪৪৬ জনই মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে।

ঈদ উপলক্ষে মানুষের অবাধ চলাচল এবং স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে গ্রামে ফেরা, আবার গ্রাম থেকে শহরমুখী হওয়া এবং ভারতীয় ধরন শনাক্ত হওয়া নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ আছে।
শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল, বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক

স্বাস্থ্য বিভাগের উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বরিশাল বিভাগে দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয় মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এরপর উল্লম্ফন আর থামেনি। মার্চে বিভাগে করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫১৬ জন, আর মারা যান ৮ জন। এপ্রিলে শনাক্ত হয় ৩ হাজার ২৯৬ জন আর মারা যান ৫২ জন। আর মে মাসে উল্লম্ফনের গতি কিছু কমে ১৫ দিনে শনাক্ত হয় ৫২৮ জন এবং মারা যান ১২ জন। এটা সর্বাত্মক লকডাউনের ফল মনে করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

তবে মে মাসে সংক্রমণের গতি কিছুটা কমে এলেও দুশ্চিন্তা কমেনি স্বাস্থ্য বিভাগের। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল রোববার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, করোনা সংক্রমণের গতি কয়েক দিন ধরেই কিছুটা কম। এর পেছনে সর্বাত্মক লকডাউনের সুফল রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে মানুষের অবাধ চলাচল এবং স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে গ্রামে ফেরা, আবার গ্রাম থেকে শহরমুখী হওয়া এবং ভারতীয় ধরন শনাক্ত হওয়া নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ আছে। আরও সপ্তাহখানেক গেলে হয়তো এটা বোঝা যাবে। এসব বিষয় কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়েই কাজ চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন