বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় বিভাগে ৫০০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এ ছাড়া করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে মারা গিয়েছিলেন ১৩ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, নতুন শনাক্ত ৫৩৫ জনের মধ্যে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ ১৮৬ জন রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত ১০ হাজার ৬৮৪ জন।

এ ছাড়া পটুয়াখালীতে নতুন ৪৮ জনসহ মোট ৩ হাজার ১২৭ জন, ভোলায় নতুন ৭১ জনসহ মোট ২ হাজার ৪৮৭, পিরোজপুরে নতুন ৬০ জনসহ মোট ৩ হাজার ৪৬৮, বরগুনায় নতুন ৬৬ জনসহ মোট আক্রান্ত ২ হাজার ১৫৫ জন। আর ঝালকাঠিতে নতুন ১০৪ জনসহ শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৩ হাজার ২১০।

বরিশাল বিভাগে করোনা সংক্রমণ শুরু হয় গত বছরের এপ্রিলের প্রথম দিকে। সেই থেকে আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভাগে করোনা পজিটিভ হয়ে মারা গেছেন ৩৭৩ জন।

আর এই সময়ের মধ্যে কেবল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৬৪৪ জন। এর মধ্যে ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষার ফল অপেক্ষমাণ।

বিভাগে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রোগী মারা গেছেন বরিশাল জেলায় ১৪৩ জন। এরপরে আছে পটুয়াখালী জেলা। এই জেলায় মারা গেছেন ৬৬ জন। এ ছাড়া পিরোজপুরে ৫৫ জন, ঝালকাঠিতে ৪৫, বরগুনায় ৪২ ও ভোলায় মারা গেছেন ২৭ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, চার দিন ধরে সংক্রমণ ৫০০–এর ওপরে এবং তা কখনো বাড়ছে, কখনো কমছে। পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে এখন নৌযান ও সড়কপথে প্রচুর লোকজন গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে। কোরবানির পশুহাট বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এসব জনসমাগমস্থলে যদি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা না যায় ও সাধারণ মানুষ সচেতন না হন, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন