বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগের দিন মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, যা ছিল বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড। এদিন করোনা পজিটিভ ও উপসর্গ নিয়ে মারা যান ১৫ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মারা যাওয়া ১৩ জনের মধ্যে ৩ জন করোনায় ও বাকি ১০ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

এর মধ্যে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে উপসর্গ নিয়ে ১০ ও আক্রান্ত হয়ে পিরোজপুরের ২ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া অপর একজন মারা যান পিরোজপুরে। এ নিয়ে বিভাগে গত বছরের এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৬৮। আর শুধু বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডের আইসোলেশনে উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মারা যায় ৬৩৯ জন।

নতুন শনাক্ত ৫০০ জনের মধ্যে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ ১৯২ জন নিয়ে মোট ১০ হাজার ৪৯৮ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ৫৯ জন নিয়ে মোট ৩ হাজার ৭৯ জন, ভোলায় নতুন ৪৭ জনসহ মোট ২ হাজার ৪১৬ জন, পিরোজপুরে নতুন ৭১ জন নিয়ে মোট ৩ হাজার ৪০৮ জন, বরগুনায় নতুন ৪৬ জন নিয়ে মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৮৯ জন এবং ঝালকাঠিতে নতুন ৮৫ জন শনাক্ত নিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১০৬। এ নিয়ে বিভাগে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৫৯৬।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, দুই দিন ধরে শনাক্তের সংখ্যা কিছুটা কমলেও তবে এটাকে ইতিবাচক ধরা যাবে না। কারণ, সংক্রমণ এখনো ৫০০—এই সংখ্যা মোটেই স্বস্তির নয়। পাশপাশি ঈদ উপলক্ষে এখন নৌযান ও সড়কপথে প্রচুর লোকজন গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে। কোরবানির গবাদিপশুর হাট বসার অনুমতি দেওয়া হয়। এসব জনসমাগমে যদি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা না যায় ও সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা দুঃসাধ্য।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন