বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে দুজন করোনায় ও দুজন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। করোনা সংক্রমণে মারা যাওয়া দুজনের বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৬৪। অপর দুজন উপসর্গ নিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে উপসর্গ নিয়ে ৯৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিভাগে করোনা শনাক্তের হার অনেক কম। আগে ২০ শতাংশের কাছাকাছি থাকলেও প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তা ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে সার্বিকভাবে বলা যায়, পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এই উন্নতি ধরে রাখতে হলে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ বাড়ানো ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা শুরু

বরিশাল বিভাগে করোনা সংক্রমণ কমতে থাকায় বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার। মে মাসের মাঝামাঝি বিভাগে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যায় ও ভয়াবহ পরিস্থিতি ধারণ করে। পরে আগস্টজুড়ে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গ করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে কাজ করে।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, এক মাস আগে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালকে পূর্ণাঙ্গ করোনা ডেটিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়। তখন থেকে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের এখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রতিদিন গড়ে ৫০ জন করোনা রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হতেন। গত কয়েক দিনে বিভাগে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক কমেছে। তাই স্থানীয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে হাসপাতালের ২২টি শয্যাকে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য সংরক্ষিত রেখে বাকি ৮০টি শয্যা সাধারণ রোগীদের ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই হাসপাতালে ২৩ জন চিকিৎসক আছেন। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য আট চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিভাগের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩০০ শয্যার করোনা ইউনিটে আজ সকাল পর্যন্ত ৭৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন