শরীফ তাসলিমা কালাম বলেন, বরিশাল মহানগর মহিলা দলের ১০ বছর কোনো কমিটি ছিল না। তাই তাঁরাই দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সুচিকিৎসার দাবিসহ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন। কিন্তু ১ মে ঘোষিত মহানগর মহিলা দলের আংশিক কমিটিতে তাঁদের কাউকে স্থান দেওয়া হয়নি। আংশিক কমিটিতে বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) মহিলা দলের সদ্য সাবেক সভাপতি ফারহানা তিথিকে সভাপতি ও পাপিয়া আজাদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

শরীফ তাসলিমা কালাম অভিযোগ করেন, এই কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়নি। কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে রাজপথের ত্যাগী নেতাদের দিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বরিশাল মহানগর মহিলা দলের কমিটির ক্ষেত্রে এর সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শরীফ তাসলিমা কালাম আরও বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দফায় দফায় কয়েকবার বরিশালে মহানগর মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন করেছেন। কিন্তু কমিটি দিতে ব্যর্থ হন। কিছুদিন আগেও কর্মী সম্মেলন হয়, সেখানে বর্তমান সভাপতি প্রার্থীই ছিলেন না, কারণ তিনি জেলা মহিলা দল করতেন। তিনি (ফারহানা তিথি) ২০১৮ সালের সিটি নির্বাচন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তাঁর নামে কোনো মামলা হয়নি এবং এক দিনের জন্যও কারাবরণ করেননি। পাশাপাশি যাঁকে সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে, তিনি দলের আন্দোলন-সংগ্রামে তেমন অংশ নেননি।

সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে সদ্য ঘোষিত মহিলা দলের সভাপতি ফারহানা তিথি বলেন, ‘আমি তো এখন কাউকে বাদ দিইনি। আমি দলের সবাইকে নিয়ে সভা ডাকব। তাঁরা দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করেছেন, এখনো করবেন। তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে তাঁদের কাজ করতে হবে।’

প্রসঙ্গত, বরিশাল মহানগর মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন করা হয় ১ মে। কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আংশিক কমিটিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে ১১১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন