বিজ্ঞাপন

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, গত শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ–সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য পাঠানো হয়েছে। সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘অধিদপ্তরে করা আবেদন গৃহীত হয়েছে বলে আমাকে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ–সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিতেও নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। সেটা হয়ে গেলে আমাদের এ হাসপাতালের ১০০ শয্যার কার্যক্রম চালু করতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ লাগবে। আশা করি, দ্রুতই আমরা অনুমোদন পেয়ে যাব। এটা চালু হলে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা বাড়বে।’

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় শয্যাসংখ্যা ও ওয়ার্ড বাড়ানোর প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা তাঁদের আছে। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে এসব বাড়ানোর চিন্তা আছে।

এদিকে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় সাতটি হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল করা হয়েছে। শুরুতে এসব হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ছিল ৫২৫টি। কিন্তু মে মাসের শুরুতে বিভাগে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শয্যা বাড়িয়ে ৬১১ করা হয়। এরই মধ্যে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২০০ শয্যার করোনা ওয়ার্ডকে ৩০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। বরিশাল সদর জেনারেল হাসপাতালে গত সোমবার থেকে ২০ শয্যার করোনা ওয়ার্ড চালু করা হয়। এ হাসপাতালে আরও ৯০টি শয্যা বাড়িয়ে ১০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ করোনা ওয়ার্ড চালুর প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন