বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্মরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান সুনামগঞ্জের প্রবীণ নারীনেত্রী শীলা রায়। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্যসচিব জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী এনাম আহমেদ। স্বাগত বক্তব্যে তিনি জানান, জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বছরজুড়ে বরুণ রায়কে নিয়ে সুনামগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের বাইরে নানা আয়োজন থাকবে।

অনুষ্ঠানে বরুণ রায় সম্পর্কে বক্তারা বলেন, তাঁর রাজনীতি, দর্শন—সবই ছিল খেটে খাওয়া মানুষের জন্য। মানুষের মুক্তির জন্য। মানুষকে ভালোবেসে, মানুষের মুক্তির জন্য যুদ্ধে নেমে সারা জীবন যেন যুদ্ধেই কেটেছে তাঁর। তাঁর জীবনের ১৪টি বছর কেটেছে নির্জন কারাবাসে।

স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, বরুণ রায় তাঁর জীবন-যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে। তাই বিপ্লবী বরুণ রায় জনতার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্যে বেঁচে আছেন।

স্মরণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। এতে বক্তব্য দেন কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক প্রবীণ শিক্ষক ধূর্জটি কুমার বসু, সুনামগঞ্জের প্রবীণ আইনজীবী ও লেখক হোসেন তওফিক চৌধুরী,  সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে, কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক রমেন্দ্র কুমার দে, কবি ও লেখক সুখেন্দু সেন, জেলা খেলাঘরের সভাপতি বিজন সেন রায়, জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি গৌরী ভট্টাচার্য, জেলা গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুহুল তুহিন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি বোরহান উদ্দিন, সমাজকর্মী স্বপন কুমার দাস ও নির্মল ভট্টাচার্য, জেলা যুব ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের মিয়া, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আসাদ মনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন