বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর গ্রাম থেকে এসেছেন কৃষক শহিদুল ইসলাম (৩৯)। তাঁর ছেলে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। চার দিন ধরে হাসপাতালে আছেন। সকালে যখন চিকিৎসা বর্জ্য পোড়ানো শুরু হয়, তখন হাসপাতালের শিশু বিভাগের আশপাশে টিকতে পারেন না শহিদুল। অন্য কোনো দিকে সরে গিয়ে পোড়া গন্ধ ও ধোঁয়া থেকে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর গ্রামের জয়ন্তী রায়ের (৪১) শিশুসন্তান শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত। বর্জ্য পোড়ানোর ধোঁয়া ও দুর্গন্ধে শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছিল শিশুটির। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে শিশু ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়েছেন জয়ন্তী।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রাকিবুল আলম বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য খোলা জায়গায় পোড়ানো মোটেই ঠিক নয়। এসব বর্জ্য ইনসিনারেটরে পোড়ানোর নিয়ম। কিন্তু ইনসিনারেটর দীর্ঘদিন নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। আবার পৌরসভা কর্তৃপক্ষও সেভাবে বর্জ্য অপসারণ করছে না। এতে বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণ বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলতে বাধ্য হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সচিব রাশেদুল ইসলাম বলেন, পৌরসভা কখনোই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা বর্জ্য অপসরণ করে না। তারা কেবল হাসপাতালের সাধারণ বর্জ্য অপসারণ করে থাকে। কিন্তু এখন বর্জ্য ফেলার জায়গার সংকটের কারণে সাধারণ বর্জ্যও নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন