বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বন বিভাগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই ৩৬ একর জমি পড়েছে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার লাউরাগা রিজার্ভ ফরেস্ট মৌজায় (খতিয়ান নম্বর ৩, জেএল নম্বর ১৭৫)। ওই মৌজার গোমড়া এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমি বর্ষিজুরা ইকোপার্কের জমি স্থানীয় আশিক মিয়াসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছিলেন। তাঁরা ইকোপার্কের জমিতে অবৈধভাবে মাটির, আধা পাকা ও টিনের আটটি ঘর নির্মাণ করেছিলেন।

২০১৭ সালের ১৩ জুলাই মৌলভীবাজার সদর ভূমি অফিস, বন বিভাগ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে যৌথ জরিপ করা হয়। এর মাধ্যমে বনভূমির সীমানা চিহ্নিত করা হয়। বন বিভাগ বিভিন্ন সময়ে ওই জমি থেকে দখলদারদের উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু তাঁদের সরানো যায়নি। উচ্ছেদ করতে গেলে দখলদাররা বন বিভাগের লোকজনের ওপর হামলা চালান। এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বন বিভাগের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। বেলা পৌনে তিনটা পর্যন্ত এই অভিযান চলে। এ সময় ওই জমিতে নির্মিত আটটি ঘরই ভেঙে বনভূমি পুনরুদ্ধার করা হয়। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভির আহমদ, সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শ্যামল কুমার মিত্রসহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আরও আগেই দখলদারদের উচ্ছেদ করা হতো। করোনার কারণে উচ্ছেদ অভিযান পিছিয়ে যায়। পুনরুদ্ধার করা জমিতে কিছুদিনের মধ্যেই গাছ লাগানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন