বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার ইউএনও মাশফাকুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সোমবার থেকে খালের বাঁধ কেটে দখলমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। ২ দিনে অন্তত ২৫টি বাঁধ কাটা হয়েছে। নয়াভাঙ্গুনী খালের সব বাঁধ কেটে না দেওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। কোনোভাবেই সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করা যাবে না।

১৬ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোয় ‘আড়াই কিমি খালে বাঁধ দিয়ে ৪০ পুকুর’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, রাঙ্গাবালীর ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের নয়াভাঙ্গুনী গ্রামে সরকারি একটি খালে একের পর এক বাঁধ দিয়ে ছোট ছোট পুকুর বানিয়ে মাছ চাষ করছেন স্থানীয় লোকজন। আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি ৪০টি ছোট ছোট পুকুরে রূপ নিয়েছে এখন। খালটি দিয়ে আর পানি নিষ্কাশিত হয় না। বর্ষায় খালের দুই পাড়ে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। খালপাড়ের বাসিন্দারা পড়ে দুর্ভোগে।

খালটি দখলমুক্ত করতে নয়াভাঙ্গুনী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি পরিবার গত ৮ জুলাই ইউএনওর কাছে আবেদন জানান। এরপর সেখানে অভিযান চালানো হলো।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন