বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঘোড়ামরা এলাকায় উপকূলে ১০০ মিটারের মতো বেড়িবাঁধ ভেঙে সেই অংশ দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢুকছে। জোয়ার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজনকে ডুবে যাওয়া রাস্তা দিয়ে বাড়িঘরে ঢুকতে দেখা গেছে।

default-image

স্থানীয় বাসিন্দা বংশী জলদাস বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব তো শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু তাঁদের দুঃখ শেষ হবে না। মাত্র ১০০ ফুট বাঁধের জন্য তাঁদের পুরো বর্ষায় কষ্ট করতে হবে। বেড়িবাঁধের এই ছোট অংশ বর্ষার আগে সরকারের মেরামত করে দেওয়া উচিত।

বেড়িবাঁধ উপছে পানি ভেতরে ঢোকার খবরে উপকূলে ছুটে যান বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত আলী জাহাঙ্গীর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট এলাকায় স্লুইসগেট মেরামতের কাজ চলছে। জোয়ারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা দেখতে সেখানে যান তিনি।

default-image

পাউবোর সীতাকুণ্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আনিছ হায়দার খান বলেন, বদরখালী এলাকার স্লুইসগেট না থাকায় সেখানে পানি ঢুকেছে। স্লুইস গেটটি জরুরি ভিত্তিতে নির্মাণের চেষ্টা করছেন তাঁরা। এ ছাড়া ঘোড়ামরা এলাকার বেড়িবাঁধ সংস্কারের বিষয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবেন।

লোকালয়ে পানি ঢুকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন রায় বলেন, এ ব্যাপারে তাঁর কাছে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও বলেন, সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপের নৌপথে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। উপকূলের দিকে নজর রাখছেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন