বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত সোমবার শাল্লা উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তাঁরা এসব কমিটি ইউএনও এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ওই উপজেলার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মিলে গোপনে করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। অভিযোগ পেয়ে জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালককে প্রধান ও পাউবোর দুজন প্রকৌশলীকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি করে দেন। কমিটি বৃহস্পতিবার সরেজমিন শাল্লা পরিদর্শন করেন। এরপরই ইউএনও আল মুক্তাদির হোসেনের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর আগে শাল্লায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ইউএনও আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ঘরের নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের কথা বলে প্রায় ৫৭ লাখ নেন। গত জুনে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে এ টাকা ফেরত দেন ইউএনও।

সুনামগঞ্জ পাউবো সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১১টি উপজেলায় এবার হাওরে বাঁধ নির্মাণের জন্য এখন পর্যন্ত ৭০১টি প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। এসব প্রকল্পের প্রাক্কলন ধরা হয়েছে ১১৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে শাল্লা উপজেলায় এখন পর্যন্ত ১৩৮টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রাক্কলন ধরা হয়েছে ২৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

অবশ্য শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মুক্তাদির হোসেন বুধবার সেখানে পিআইসি গঠনে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি হাওরে হাওরে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলে কমিটি করেছি। নীতিমালার বাইরে ইউপি চেয়ারম্যানদের কিছু আবদার ছিল, যেগুলো রাখতে পারিনি বলেই তাঁরা আমাদের ওপর সংক্ষুব্ধ।’
প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার রাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন