বিজ্ঞাপন

ঢাকার বাংলামোটর থেকে আসা বরিশালগামী যাত্রী শামীম আহমেদ বলেন, ‘ঢাকায় আমাদের বাড়ি আছে। ঢাকায় ঈদের দিন কাটিয়ে গ্রামে দাদা–দাদির সঙ্গে ঈদ করতে যাচ্ছি। তা ছাড়া ঈদের আগে গ্রামের বাড়িতে গেলে রাস্তাঘাটে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ফেরিঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এসব ঝামালে এড়াতেই ঈদের পরের দিন পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি।’

ঈদের দুদিন আগে ফেরিতে মানুষের গাদাগাদিতে পাঁচজন মানুষ মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ভিড়ের মধ্যে আর রওনা হননি খুলনাগামী যাত্রী ইকবাল হাওলাদার। ঈদ শেষে এখন আরামে বাড়ি ফিরছেন তিনি।

এদিকে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের দিনটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কিছু মানুষ। শনিবার দুপুরের পর থেকে ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে। তবে ভিড় নেই ফেরিতে। ঘাটেও যানবাহনের সংখ্যা তেমন নেই।

মাদারীপুর থেকে আসা ঢাকামুখী যাত্রী মনির হোসেন বলেন, ‘কাল রোববার। আমাদের অফিস খুলবে। ছুটিও শেষ। বাড়িতে আরও এক দিন থাকলে কাল থেকে আবার ভিড়ের মধ্যে পড়তে হবে। তাই আগে আগেই ঢাকায় যাচ্ছি।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ঘাট সূত্রে জানা যায়, এই নৌপথে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে জন্য ১৭টি ফেরি সচল রয়েছে। সকাল থেকে শিমুলিয়া থেকে আসা ঘরমুখী মানুষের চাপ আছে। বড় ফেরিগুলোয় শিমুলিয়া থেকে ২০০ থেকে ৩০০ যাত্রী বহন করে বাংলাবাজার ঘাটে আসছে।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের সব কটি ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঢাকা থেকে আসা যাত্রীদের চাপ এখনো আছে। তবে উপচে পড়া ভিড় এখন নেই। আর ঈদ শেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। তবে সেই সংখ্যা কম। আগামীকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়বে।’

সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীদের ভালো ভিড় দেখা গেছে বলে জানান বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) মো. আশিকুর রহমান। তিনি বলেন, শিমুলিয়া থেকে যাত্রী বেশি আসছেন। তবে বাংলাবাজার থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় এখনো শুরু হয়নি। আস্তে আস্তে বাড়বে। বাংলাবাজার ঘাটে যানবাহনের কোনো চাপ নেই। গাড়ি আসামাত্রই ফেরিতে উঠতে পারছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন