বিজ্ঞাপন

নৌপথের চলাচলরত ১৮টি ফেরি চালু রয়েছে। তবে এখনো বন্ধ রয়েছে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল। এ কারণে গতকাল বুধবার পর্যন্ত এই নৌপথে চলাচলকারী প্রতিটি ফেরিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। পদ্মা পারাপারের জন্য যাত্রীদের ঘাটে এসে ফেরির জন্য অপেক্ষাও করতে হয়েছে দীর্ঘ সময়।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাউদ্দিন আহমেদ আজ দুপুর ১২টায় প্রথম আলোকে বলেন, যাত্রীদের চাপ এখনো ফেরিতে আছে। তবে গত দিনগুলোর তুলনায় আজ কিছুটা কম। এখন যারা পারাপার হচ্ছে, তারা ঈদের দিন ও ঈদের পরে ঢাকা থেকে গ্রামে এসেছে ঈদ করতে। তারাই মূলত এখন ঢাকায় ফিরছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সব কটি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। ফলে, যাত্রীরা ঘাটে আসামাত্রই ফেরিতে উঠতে পারবে। কোনো ধরনের ভোগান্তি ও দুর্ভোগের শিকার হবে না।

খুলনা থেকে আসা ঢাকামুখী যাত্রী মজিবর খান বলেন, ‘ভিড় এড়াতে ঈদের এক দিন পর ঢাকা থেকে খুলনা আসি। তখন আসতে কোনো অসুবিধা হয়নি। গ্রামে কটা দিন কাটিয়ে এখন আবার ঢাকায় ফিরে যাচ্ছি। ফেরিতে ভালোই ভিড়। তবে বেশিক্ষণ ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়নি। আধা ঘণ্টার মধ্যে আমরা ফেরিতে উঠতে পারি। রাস্তাঘাটে দূরপাল্লার বাস চললে আর কোনো দুর্ভোগই হতো না।’

মাদারীপুর থেকে ঢাকাগামী নাইমুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের আগে যখন ফেরি সীমিত চলে, তখন আমি দেশে আসছি। শিমুলিয়া ঘাটে তখন সাত ঘণ্টা ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন যে কষ্ট হয়েছে, তার এক ভাগও কষ্ট যাওয়ার সময় হয়নি।’

বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) মো. আশিকুর রহমান বলেন, সকালের দিকে ঘাটে ভিড় ভালো ছিল। দুপুর ১২টার পরে যাত্রী আছে, তবে তেমন চাপ নেই। যাত্রী ও যানবাহন ঘাটে আসামাত্রই ফেরিতে উঠতে পারছে। কোনো অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন