বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকালে পুলিশ কনস্টেবল মো. হাফিজুর রহমান সাদা পোশাকে কালাইয়া বাজারে কেনাকাটা করতে যান। এ সময় বাজারের কালাইয়া রব্বানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার পাশের সড়ক দিয়ে মাসুম বিল্লাহ বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হাফিজুর বেপরোয়া গতির প্রতিবাদ করলে মাসুম মোটরসাইকেল থামিয়ে হাফিজুরকে লাঞ্ছিত করেন। একপর্যায়ে হাফিজুর মাসুমকে আটক করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ মাসুমকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাসুমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, ‘দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। ওই পুলিশ কনস্টেবল সাদা পোশাকে থাকায় মাসুম তাঁকে চিনতে পারেনি। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝির অবসান করে দিয়েছি।’

কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মোটরসাইকেলের চাকা কনস্টেবল হাফিজুরের পায়ে লেগেছিল। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটি হয়েছে। কোনো মারামারি হয়নি। সাদাপোশাকে থাকায় কেউ কাউকে চিনতে না পারায় ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন