বাউফল বিএনপির নতুন আহ্বায়ক জব্বার, সদস্যসচিব আপেল

আহ্বায়ক আব্দুল জব্বার (বাঁয়ে) ও সদস্যসচিব আপেল মাহমুদ
ছবি: সংগৃহীত

নৈতিক স্খলন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শাহজাদা মিয়া ও সদস্যসচিব মো. অলিয়ার রহমানকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। নতুন করে আবদুল জব্বারকে আহ্বায়ক ও আপেল মাহমুদকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা দুজন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

আজ সোমবার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুর রশিদ ওরফে চুন্নু মিয়া প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আবদুর রশিদ বলেন, টাকার বিনিময়ে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রস্তাবিত কমিটি পাস করিয়ে দেওয়া-সংক্রান্ত কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই অডিওতে দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব পদপ্রার্থী মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে শাহজাদা ও অলিয়ারের মধ্যে কথোপকথন ছিল। এ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এবং শীর্ষ নেতারা বিব্রত হন।

আবদুর রশিদ আরও বলেন, তদন্তে ওই দুই নেতার আর্থিক লেনদেনের সত্যতা পাওয়া গেছে, যা নৈতিক স্খলন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল। এ জন্য বিএনপির নির্বাহী কমিটির নেতাদের নির্দেশে গতকাল ওই দুই নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আর আজ আহ্বায়ক হিসেবে আবদুল জব্বার ও সদস্যসচিব হিসেবে আপেল মাহমুদ ওরফে ফিরোজকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া স্যামুয়েল আহম্মেদ ওরফে লেনিনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আহ্বায়ক কমিটির কয়েকজন নেতা বলেন, ইউনিয়ন কমিটি দেওয়ার নামে তিন নেতার আর্থিক লেনদেনের অডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে গেলেও দুই নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে অনেকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।