বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পূর্বশত্রুতার জেরে ১৯ এপ্রিল রাতে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে এনে রবিউল, তাঁর দুই ভাই শহিদুল ইসলাম ওরফে সোহেল ও তৌহিদুল ইসলাম ওরফে তৌকিরকে কুপিয়ে জখম করেন জহিরুল ও তাঁর অনুসারীরা। তাঁদের গুরুতর অবস্থায় স্পিডবোটে করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর রাত সাড়ে তিনটার দিকে রবিউলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। তাঁর অপর দুই ভাই সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১২ সালে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দীনকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি জহিরুল। ওই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে গত বছরের ২৭ আগস্ট তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তখন তাঁর ডান হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। একই এলাকার গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজের নেতৃত্বে ওই হামলায় রবিউলের ভাই শহিদুলও অংশ নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর জের ধরেই রবিউল হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

রবিউল মারা যাওয়ার পর তাঁর বাবা ইয়াছিন আলী মোল্লা ২১ এপ্রিল বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয় ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুলকে।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৮-এর অধিনায়ক জামিল হাসান বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই শহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ১১ দিনের মধ্যে মামলার প্রধান আসামি জহিরুলকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ সময় জহিরুলের সহযোগী একই এলাকার আবদুর রবকেও গ্রেপ্তার করা করা হয়। আসামি দুজন সম্পর্কে চাচাতো ভাই

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে বাকেরগঞ্জ ও বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলা রয়েছে। আবদুর রবের বিরুদ্ধে রয়েছে দুটি মামলা। আসামিদের দুপুরেই বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন