বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তৃতায় মোজাম্মেল হক বলেন, তিনি আচরণবিধি মেনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে আয়েন উদ্দিনের লোকজন বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আবদুল মজিদের নেতৃত্বে তাঁর লোকজন লাঠি ও হাঁসুয়া নিয়ে স্লোগান দিয়ে তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালান। এ সময় ক্যাম্পে থাকা ব্যানার–ফেস্টুন ও আসবাব ভেঙে ফেলা হয়।

মোজাম্মেল হক অভিযোগ করে বলেন, নৌকার প্রার্থীর ভাই আবদুল মজিদ বয়স্ক, বিধবাসহ সরকারি বিভিন্ন সুবিধাভোগীদের বাড়িতে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য বলছেন। ভোট না দিলে ভাতার তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দিচ্ছেন। কাউকে কাউকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনের একপর্যায়ে তিনি হামলার সময়ের একটি ভিডিও সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুল মজিদ ১৫–২০ জনকে নিয়ে মোজাম্মেল হকের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা করেন। এ সময় আবদুল মজিদ ছাড়া অন্যদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল। হামলার সময় চেয়ারম্যান প্রার্থীর ছেলে আরিফ হোসেন ও বেলাল হোসেনকেও ঘটনাস্থলে দেখা গেছে।

মোজাম্মেল হক জানান, তিনি এসব বিষয়ে বাগমারা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি তাঁর ইউনিয়নসহ প্রতিটি ইউনিয়নে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, তিনি মোজাম্মেল হকের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে চেয়ারম্যান প্রার্থী আয়েন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তিনি অসুস্থ থাকায় এ বিষয়ে কথা বলেননি। তাঁর ভাই আবদুল মজিদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, মোজাম্মেল হক এসব ঘটনা সাজিয়েছেন। তাঁরা কোনো হামলা করেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন