মুসল্লিদের জন্য ৫০০টি অস্থায়ী শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ইজতেমার আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠেও সার্বক্ষণিক থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া নিরাপত্তার জন্য পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন। মুসল্লিদের জন্য বিশেষ সহযোগিতা করছেন স্থানীয় পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। মুসল্লিদের গাড়ি রাখার জন্য গ্যারেজ নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আয়োজকদের পক্ষে মকলেছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ইজতেমায় কমপক্ষে ২০ হাজার মুসল্লি সার্বক্ষণিক থাকবেন। এ ছাড়া সাত-আট হাজার মুসল্লি বয়ান শুনে চলে যাবেন। তাহেরপুর পৌরসভার মেয়রসহ প্রশাসনের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে।

তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাবলিগ জামাত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ইজতেমা সম্পন্ন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন