বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী আকাশি বেগম (৩২) বলেন, দুপুরে বাড়ির একটি পুকুরের পাশে মাসুদ রানা ও তার ছোট ভাই শিহাব হোসেন খেলছিল। একপর্যায়ে মাসুদ রানা পুকুরের পানিতে সাঁতার শিখতে নামে। বেলা আড়াইটার দিকে মাসুদ রানা পুকুরের পানিতে তলিয়ে যায়। এ দৃশ্য দেখে আকাশি বেগম চিৎকার শুরু করেন। পাড়ে থাকা ছোট্ট শিহাবও কান্নাকাটি করছিল। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে মাসুদ রানাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তাঁরা। সেখানে চিকিৎসক মাসুদ রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আকাশি বেগম আরও বলেন, তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। এ কারণে পানিতে নেমে শিশুটিকে উদ্ধার করতে পারেননি। চোখের সামনে ছোট্ট শিশুকে পানিতে ডুবে মরে যেতে দেখে বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন তিনি।

বড় বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান বলেন, শিশুটি পানিতে নেমে সাঁতার শিখতে গিয়ে ডুবে মারা গেছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন