বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে নরদাশের বাঁধের হাট এলাকায় গোলাম সারওয়ারের নির্বাচনী সভা ছিল। সভা শেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ১৫-২০ জন সমর্থক সশস্ত্র অবস্থায় ইউনিয়নের বাসুদেবপাড়া গ্রামে গিয়ে আবদুর রশিদের সমর্থকদের ওপর ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে হামলা চালান। এতে আবু বকর সিদ্দিকের একজন নারী সমর্থকসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন বলে দাবি করা হয়।

এ সময় আশপাশের লোকজন ছুটে এলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। হামলার ঘটনায় নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আবদুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, গতকাল রাতে নির্বাচনী সভায় গোলাম সারওয়ার উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। ‘কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে না এবং পিটিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হবে’—গোলাম সারওয়ার এমন কথা বলেছেন। এই বক্তব্যের পরই আবদুর রশিদের লোকজন তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। গোলাম সারওয়ার নানাভাবে হুমকি অব্যাহত রেখেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। তবে গোলাম সারওয়ারের ভাই সফি কামাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আবদুর রশিদের সমর্থকেরা তাঁদের কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। তিনি এ ঘটনায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, হামলার ঘটনার পর দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন