বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গোটাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ শমসের আলী আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, গোটাপাড়া ইউনিয়নের ভাটশালা গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মনিরুল ইসলাম শহরের সরুই এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন। গতকাল বিকেলে শহর থেকে মোটরসাইকেলে স্ত্রী ও দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে গ্রামের মসজিদে ইফতারি দিতে আসেন। ইফতারের পর নামাজ পড়ে শহরে ফেরার পথে মুনিগঞ্জ সেতুর বাইপাস সড়ক এলাকায় পৌঁছালে সেখানে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মনিরুলকে গুরুতর জখম করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। ধাক্কায় কোলের শিশুটিও পড়ে গিয়ে আহত হয়।

শমসের আলী আরও বলেন, দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য মনিরুলকে খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তিনি বলেন, গত নির্বাচনের জের ধরে প্রতিপক্ষরা এ হামলা করে থাকতে পারেন বলে তিনি মনে করেন। তিনি হামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুদীপ্ত কুমার দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসা মনিরুল ইসলামের দুই হাত, পা ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন ছিল। তাঁর শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, সদরের গোটাপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মনিরুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। গত ইউপি নির্বাচন, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তাঁরা জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে ঘটনাটি তদন্ত করছেন বলে জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন