বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিরাজুল ইসলাম কৃষ্ণনগর এলাকার প্রয়াত আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাট গণপূর্ত, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ (এলজিইডি) বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কাজ করে আসছেন।

সিরাজুলের পরিবারের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছোট পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়া হয়। প্রথম গুলিটা ফোটেনি। পরেরটা পায়ে লাগে। যারা গুলি করেছে, সিরাজুল তাদের চিনতে পেরেছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের বরাত দিয়ে বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঠিকাদার সিরাজুল ইসলাম কৃষ্ণনগর এলাকায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য একটি গুলি ছোড়ে। সেই গুলি লক্ষ্যভেদ হলে আবারও অস্ত্রধারীরা গুলি চালায়। একটি গুলি সিরাজুলের ডান পায়ের ঊরুতে বিদ্ধ হয়। গুলি করেই অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা পালিয়ে যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, স্থানীয় লোকজন এসে গুলিবিদ্ধ সিরাজুলকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কারা, কী কারণে এই ঠিকাদারকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অস্ত্রধারীদের শনাক্ত করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন