default-image

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ​পুলিশের ওপর হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের হামলা চালানোর ঘটনায় মামলা হয়েছে। সোমবার রাতে মোল্লাহাট থানার উপপরিদর্শক মো. শাহিনুর রহমান গোলদার মামলাটি করেন। এ মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মোল্লাহাট থানায় হওয়া পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। মামলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের নিকট আত্মীয় আবদুল্লাহ খন্দকারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার দুজন হলেন মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর আড়ুয়াকান্দি গ্রামের রাফিন সরদার ও ত্রাণ মোল্লা। তাঁদের আজ মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার বেলা পৌনে ১১ টার দিকে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা। এ সময় পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তখন হেফাজত কর্মীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আহত হন ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির বলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে আমরা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।’

এদিকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততা ও শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়ার অভিযোগে উপজেলার উদয়পুর জামেয়া হালিমিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক (হেফাজত নেতা) হাফেজ মাওলানা মো. আবদুল্লাহকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর সোমবারই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুল আলম ছানা স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাঁকে অব্যাহতির কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন