default-image

পেঁয়াজের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে রংপুরে আজ রোববার থেকে খোলাবাজারে সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। বাজারে নতুন পেঁয়াজ না ওঠা পর্যন্ত পেঁয়াজ বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে টিসিবি।
টিসিবি রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্র জানায়, নগরের নয়টি স্থানে খোলাবাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। ৩০ টাকা কেজি দরে এ পেঁয়াজ প্রতিজন ২ কেজি পর্যন্ত কিনতে পারবেন। প্রতিটি স্থানে প্রতিদিন ২০০ কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে রংপুর সিটি বাজারে রোববার সকালে দেখা যায়, বাজারের প্রতিটি দোকানেই পেঁয়াজের স্তূপ। কিন্তু দাম কমেনি। এক সপ্তাহ আগে ৩০-৩৫ টাকার দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৭০-৭৫ টাকায়। আর ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪০ টাকা।

রংপুর সিটি বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, এমনিতেই প্রতিবছরের এ সময় পেঁয়াজের দাম বেড়ে থাকে। তার ওপর রংপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোয় বন্যা হয়েছে। এ ছাড়াও ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি কম। তাই বাজারে চাহিদার চেয়ে পেঁয়াজ আসছে কম। ফলে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

default-image
বিজ্ঞাপন

সিটি বাজারে পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ী মাহবুবার রহমান বলেন, ‘কোনো নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করলে লোকজন একসঙ্গে অনেক বেশি করে কিনতে থাকে। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে তা–ই হয়েছে। ফলে চাহিদাও অনেক বেড়ে গেছে।’

সিটি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা নগরের জুম্মাপাড়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘এমনিতেই করোনায় মানুষের আয়–রোজগার কমে গেছে। তার ওপর নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। আর পেঁয়াজ তো এক সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিগুণ বেড়ে ৭৫ টাকা কেজি হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

নগরের কুকরুল এলাকার বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘কাজকাম নেই বললেই চলে। কীভাবে সংসার চলবে, তা নিয়ে বড় দুশ্চিন্তায় আছি। আর এদিকে বাজারে পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের দাম শুধু বেড়েই চলেছে।’

টিসিবি রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে রংপুর নগরের ৯টি স্থানে খোলাবাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি শুরু করা হয়েছে। প্রতিটি স্থানে প্রতিদিন ২০০ কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে। আর প্রতিজন পাবেন সর্বোচ্চ দুই কেজি।

মন্তব্য পড়ুন 0