বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাঁর স্ত্রী শুক্রপুদি চাকমাও (৬০) ভাজা বাদাম বিক্রি করেন। থানা বাজারের মুখে বেলতলায় বাদাম নিয়ে বসেন তিনি। প্রতিদিন সকালে বাদাম নিয়ে বের হন বৃদ্ধ স্বামী-স্ত্রী। এরপর সারা দিনে দুজন মিলে ১৫০-২০০ টাকার বাদাম বিক্রি করেন।

অমৃত রঞ্জন চাকমা জানান, তাঁর বাবা পূর্ণজয় চাকমা অনেক বছর আগে মারা গেছেন। দুই মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে তাঁর পরিবার। বড় মেয়ে রূপবান চাকমাকে বিয়ে দিয়েছেন। আর ছোট মেয়ে রহিমবান চাকমা চাকরির খোঁজে চট্টগ্রামে আছেন।

অমৃত রঞ্জন চাকমা বলেন, ‘দুই বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আমার ডান পা ভেঙে গেছে। টাকার অভাবে ভালো করে চিকিৎসা করাতে পারিনি। এই পা নিয়ে এখন কোনো কাজকর্মও করতে পারি না। তাই বাধ্য হয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বাদাম বিক্রি করি। বাদাম বিক্রি করে যা আয় হয়, তা দিয়ে ওষুধ-সংসার খরচ চলে না। একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড পেলে অনেক উপকার হতো।’

উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান সীমা দেওয়ান জানান, উপজেলা পরিষদ থেকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের সহায়তা করা হচ্ছে। কেউ বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য আবেদন করলে সেটি যাচাই করে এ সহায়তার আওতায় আনা হয়। অমৃত রঞ্জন চাকমার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তাঁকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এনে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন