বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে নৌকার প্রার্থীর লোকজনকে দেখিয়ে ভোট দিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সৈয়দ করম আলী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে। বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। নৌকায় সিল মেরে দেখাতে হচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ।

তবে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অত্যন্ত সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট হচ্ছে। কেউ কাউকে বাধা দিচ্ছে না। ১৮ বছর পর মানুষ ভোট দিচ্ছেন উৎসবের আমেজে।’

বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদে মোট ভোটার ২৯ হাজার ২৯১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪ হাজার ৪৯৩ জন, নারী ভোটার ১৪ হাজার ৪৯৯ জন। সকাল ১০টা পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়েছে।

পুঠিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীন বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নিচ্ছে।

গত শুক্রবার রাতে বানেশ্বরে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে আবুল কালাম আজাদের দেওয়া বক্তৃতার ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে গেলে নৌকায় সিল মেরে দেখাতে হবে। না হলে ভোটের মাঠেই ঢুকতে দেওয়া হবে না। যদি তা না পারা যায়, তবে তাঁদের তালিকা করার জন্য নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আবুল কালাম আজাদ বানেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর এমন বক্তব্যে অন্য প্রার্থীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে রোববার প্রথম আলো অনলাইনে ‘নৌকায় সিল মেরে দেখাতে হবে, নইলে ঢুকতে দেওয়া হবে না’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা যায় ভোটারদের মধ্যে। তবে নানা অভিযোগ থাকলেও বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

পঞ্চম ধাপের তফসিল অনুসারে পুঠিয়ায় বেলপুকুর ও বানেশ্বর ইউপিতে নির্বাচন হবে ৫ জানুয়ারি। আনারস প্রতীক নিয়ে বানেশ্বরে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি-সমর্থিত) আবদুল রাজ্জাক ও হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত মামুনুর রশিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন