পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলছেন, রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ের বাসিন্দা ওই নারী বৃহস্পতিবার সকালে জুমে গিয়েছিলেন। বিকেল নাগাদ ফিরে না আসায় বাড়ির লোকজন সন্ধ্যায় জুমে গিয়ে জুমঘরে তাঁর লাশ দেখতে পান। তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। পরনের কাপড় এলোমেলো ছিল। তিনি কয়েক দিন ধরে জুমখেতে ধানের সঙ্গে চাষ করা হলুদ সংগ্রহের কাজ করে আসছেন। এলাকাটি রোয়াংছড়ি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০-২২ কিলোমিটার দূরে নোয়াপতং ইউনিয়নে অবস্থিত।

নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চ নু মং মারমা বলেন, চারজন কাঠকাটা শ্রমিক কয়েক দিন ধরে ওই জুমঘরে থেকে কাঠ কাটছিলেন। তাঁরা রাতেও সেখানে থাকেন। এই শ্রমিকেরাই ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর ওই চার শ্রমিককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের কুড়াল ও অন্য যন্ত্রপাতি জুমঘরে ফেলে পালিয়ে গেছেন।

রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর লাশ উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আলামত ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর ছেলে বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তবে তদন্তের কারণে আসামিদের নাম বলা যাচ্ছে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন