বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাতে সিয়ইনু মারমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরের দিন বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে সিয়ইনু মারমার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। বুধবার রাতে রেথোয়াই মারমা ইউপি সদস্য শৈসাচিং মারমাকে ফোনে বলেন, তাঁকে সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে এবং তাঁর স্ত্রীকে নির্যাতন করা হচ্ছে। ঘটনার পর রেথোয়াই মারমা গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

বান্দরবান সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কানন চৌধুরী বলেন, সিয়ইনু হত্যার ঘটনায় তাঁর বাবা মংশৈথোয়াই মারমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে গতকাল রাতেই মামলা করেন। ওই মামলায় রেথোয়াই মারমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আখতার বলেন, গ্রেপ্তার রেথোয়াই মারমাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি তাঁর স্ত্রীকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তাঁর কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। সেই তথ্যগুলো যাচাই করে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে তাঁর সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছেন কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তংজমাপাড়াবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেথোয়াই ও সিয়ইনুর মধ্যে কয়েক মাস ধরে মনোমালিন্য চলছিল। রেথোয়াই সন্দেহ করতেন, সিয়ইনুর অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। তাঁদের চার ছেলের সবাই অনাথ আশ্রম ও বৌদ্ধবিহারে থেকে পড়াশোনা করে। শুধু তাঁরা দুজন বাড়িতে থাকতেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন