বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার রাতে সিলেট নগরে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিরা হলেন ওই ছাত্রীর বান্ধবী সোনিয়া ও আবু আহমদ (৩৫)। তবে ওই সময় সোনিয়ার প্রবাসী চাচাতো ভাই আবদুল হাই (৩৮) পালিয়ে যাওয়ায় তাঁকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সোনিয়া, আবদুল হাই ও আবু আহমদ ওই ছাত্রীকে কৌশলে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ান। পরে ওই ছাত্রী তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীর সাহায্য নেন। পরে ওই সহপাঠীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।

গতকাল রাত নয়টার দিকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। তবে তিনি অসুস্থ বোধ করায় গতকাল রাতে তাঁর কাছ থেকে পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেনি।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার আকস্মিকতায় ওই ছাত্রী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে ওই বাসায় তাঁর সঙ্গে কী কী ঘটনা ঘটেছে, এর বিস্তারিত পুলিশ জানতে পারেনি। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ ওই ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলবে। এরপর ছাত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন