বিজ্ঞাপন

ওই দিন রাতেই রাসেলের বাবা বদলগাছী থানায় এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে রাসেলকে উদ্ধারে অভিযানে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় রাসেলের মুঠোফোন নম্বর ট্র্যাকিং করে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গতকাল বুধবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের পেছন থেকে অপহৃত রাসেলকে উদ্ধার করে বদলগাছী থানা-পুলিশ। পরে তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই রাতেই পুলিশ পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলা সদর থেকে রাসেলের সহযোগী ফয়সাল আহম্মেদ ওরফে ফাহিমকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় বদলগাছী থানায় একটি প্রতারণার মামলা হয়েছে।

গ্রেপ্তার যুবকদের দেওয়া স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, সংসার চালাতে গিয়ে রাসেল বিপুল অঙ্কের দায়দেনার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন। ঋণ পরিশোধ করতে রাসেল বেশ কয়েকবার তাঁর বাবার কাছ থেকে টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর বাবা সিদ্দিক রহমান তাঁকে টাকা দিতে রাজি হননি। পরে রাসেল বাবার কাছ থেকে টাকা আদায় করতে স্বেচ্ছায় নিখোঁজ হন এবং ফয়সালের সহযোগিতা নিয়ে অপহরণের নাটক সাজান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার, মামুন খান চিশতী, বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী যোবায়ের আহমেদ প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন