default-image

বাবা-ছেলে দুজন মিলে মেঘনা নদীর পাড়ে বসে বড়শি দিয়ে মাছ ধরছিলেন। হঠাৎ ছেলের পায়ের নিচ থেকে পাড় ভেঙে নদীতে পড়ে। মুহূর্তেই ছেলে সাহাব উদ্দিন নদীতে মাটির নিচে পড়ে চাপা পড়ে। বাবা রুহুল আমিনের কান্না আর চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন আশপাশের মানুষ। মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় সাহাব উদ্দিনকে। কিন্তু ততক্ষণে না ফেরার দেশে চলে গেছে সাহাব উদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

নির্মম এই ঘটনাটি আজ রোববার নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের জনতাবাজার ঘাটের পাশের। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পরে খবর পেয়ে দুপুরের দিকে হাতিয়ার ভূমিহীন বাজার ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহত সাহাব উদ্দিন চানন্দি ইউনিয়নের মোল্লা গ্রামের বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী পুলিশের বরাত দিয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের প্রথম আলোকে বলেন, সকালে বাবা রুহুল আমিন ও ছেলে সাহাব উদ্দিন জনতা বাজারঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীর পাড়ে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতে যান। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ নদীর পাড় ভেঙে পড়ে। এ সময় পাড়ে বড়শি হাতে থাকা সাহাব উদ্দিন নদীতে মাটির নিচে চাপা পড়ে।

ওসি আবুল খায়ের জানান, মাটি চাপা পড়ার পর বাবা রুহুল আমিনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তাঁরা অনেক চেষ্টার পর সাহাব উদ্দিনকে মাটির নিচে থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয় এক পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মন্তব্য পড়ুন 0