বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজিয়ার স্বজনেরা জানান, আজ সকালে রাজিয়ার ভূগোল পরীক্ষা ছিল। এর মধ্যে ভোরে বাবার মৃত্যুসংবাদ আসে। বাবার মৃত্যুতে রাজিয়া ভেঙে পড়লেও পরে স্বজন ও শিক্ষকদের উৎসাহে সে কালী প্রসাদ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

পতনঊষার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষার্থী রাজিয়ার বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে সকালেই আমরা তার বাড়িতে গিয়েছি। সেখানে তাকে আমরা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য উৎসাহ দিয়েছি।’

কালী প্রসাদ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব সত্যেন্দ্র কুমার পাল জানান, রাজিয়া অন্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা দিয়েছে। কেন্দ্রের শিক্ষকেরা তার ওপর সার্বক্ষণিক খেয়াল রেখেছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন