পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, বর্ষণ ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে বাবার সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে সাঁতার শিখতে চেয়েছিল। গত কয়েক দিনের মতো আজ দুপুরেও সে বাবার সঙ্গে নদে সাঁতার শিখতে যায়। এ সময় তার দুই বন্ধুও নদে গোসল করতে নামে। বর্ষণের বাবা কিছুক্ষণ সাঁতার শেখানোর পর তাকে চলে আসতে বললে সে একটু পরে আসবে বলে জানায়। তাকে রেখেই বাবা বাড়িতে চলে যান।

পরে বর্ষণ বন্ধুদের সঙ্গে নদে সাঁতার কাটছিল। একসময় স্রোতে সে তলিয়ে যায়। বন্ধুদের ডাক–চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে নদে নেমে তাঁর খোঁজ করেন। না পেয়ে মনোহরদী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে খুঁজে না পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে খবর দেন।

এলাকাবাসী নৌকা ও জাল দিয়েও নদে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা পর ডুবুরি দল আসার আগেই নদ থেকে বর্ষণকে উদ্ধার করেন এলাকাবাসী। পরে তাকে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন বলেন, সাঁতার শিখতে গিয়ে বর্ষণ ডুবে মারা গেছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন