সে ঋণ এখনো পরিশোধ হয়নি। এরপর মেডিকেলে ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ চালানো বাবার বর্তমান আয়ে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বাবা এ জন্য দুশ্চিন্তায় আছেন।

মাকসুদার বাবা শরিফুল ইসলাম বলেন, তিনি স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) চাকরি করেন। বেতন পান ১৪ হাজার টাকা। তাঁর এক মেয়ে পড়েন স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষে। ছেলে আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। তিনি বলেন, ‘এখনকার লেখাপড়া মানেই তো প্রাইভেট পড়ানোর খরচ। অথচ বেতনে ঠিকমতো সংসারই চলছে না। ঋণ করে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে আসছি। এই করে এনজিওর কাছে ঋণ হয়ে গেছে তিন লাখ টাকা। আত্মীয়স্বজনের কাছের ঋণের কথা নাই–বা বললাম। কোথাও থেকে সহায়তা না পেলে ঋণের জালে আরও জর্জরিত হয়ে পড়ব।’

চরমোহনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাকসুদা খাতুনকে ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি। লেখাপড়ার প্রতি সে দারুণ মনোযোগী ছিল। তার অন্য ভাইবোনেরাও আমাদের বিদ্যালয়ে পড়েছে। তার বাবা অর্থসংকট থাকলেও ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল। মেডিকেলের ব্যয়বহুল লেখাপড়া করানো তার বাবার জন্য খুবই কষ্টকর। সহায়তা পেলে মাকসুদা অনেক দূর যেতে পারবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন