বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত সুজন উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের লহরী গ্রামের আশক আলীর ছেলে। সুজন অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দেড় মাস আগের একটি সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষী হয়েছেন তাঁর বাবা আশক আলী। এর জেরেই গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সুজনের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা চালান ওই মামলার আসামি নুর মিয়া।

মামলায় সাক্ষী হন লহরী গ্রামের আশক আলী। এরপর থেকে আসামি নুর মিয়া ও তাঁর লোকজন আশক আলীকে দেখলে গালিগালাজ করতেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বিরোধের জেরে দেড় মাস আগে লহরী গ্রামের খলিল উদ্দিনের সঙ্গে একই গ্রামের নুর মিয়ার পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় খলিল উদ্দিন বাদী হয়ে নুর মিয়াকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় সাক্ষী ছিলেন লহরী গ্রামের আশক আলী। এরপর থেকে নুর মিয়া ও তাঁর লোকজন আশক আলীকে দেখলে গালিগালাজ করতেন। গতকাল সকালে আশক আলীর একটি গরু নুর মিয়ার বাড়িতে গেলে নুর মিয়ার লোকজনের সঙ্গে আশিক আলীর লোকজনের কথা–কাটাকাটি হয়। এর জেরে গতকাল সন্ধ্যায় আশক আলীর ছেলে সুজনকে পেয়ে নুর মিয়ার লোকজন বেদম মারধর করেন। পরে তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তিনি মারা যান।

আশক আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘নুর মিয়া এলাকায় দাঙ্গাবাজ হিসেবে পরিচিত। আমি প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে একটি মারামারি মামলার সাক্ষী থাকায় আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিদিন গালিগালাজ করত নুর মিয়া। আমার ছেলেকে নির্মমভাবে কিল–ঘুষি মেরে হত্যা করেছে তারা।’

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন