বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রামের পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, আদালত বাবুলের করা মামলাটি তদন্তের জন্য গত বছরের ৩ নভেম্বর পিবিআইকে নির্দেশ দেন। এর আগে একই ঘটনায় বাবুলের শ্বশুরের করা মামলাটিও তদন্ত করছে পিবিআই। ওই মামলায় বাবুলকে ১২ মে গ্রেপ্তার করা হয়। যেহেতু আসামিদের জবানবন্দি ও তদন্তে বাবুল স্ত্রী খুনে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে, তাই বাবুলকে তাঁর করা মামলায়ও আসামি করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আদালত ৯ জানুয়ারি তাঁর উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য রেখেছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে নগরের জিইসি মোড় এলাকায় খুন হন মাহমুদা খানম। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পিবিআই গত বছরের ১২ মে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। ওই সময়ই বাবুলের শ্বশুর আরেকটি হত্যা মামলা করলে তাতে বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এদিকে বাবুলের করা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৪ অক্টোবর আদালতে নারাজি আবেদন দেন তাঁর আইনজীবী। আবেদনে বলা হয়, বাবুলকে আসামি করতে বানোয়াট চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়। অথচ সেই মামলায় পুলিশ ৫১ জনের বেশি সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়েছে ১৬১ ধারায়। সেখানে একজনও বাবুলের সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। দুই সাক্ষীর জবানবন্দির ভিত্তিতে বাবুলকে আসামি করা হয়েছে। বাবুলের আইনজীবী বলেন, কাদের বাঁচানোর জন্য এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন, সেটা দেখতে হবে। বাবুল আক্তার মহলবিশেষের ষড়যন্ত্রের শিকার। ইতিপূর্বে তিনি স্বর্ণের চোরাকারবারি ও কালোবাজারিদের ধরেছেন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করেছেন। গত ৩ নভেম্বর আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ না করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

শ্বশুরের করা মামলায় বাবুল আক্তার বর্তমানে ফেনী কারাগারে রয়েছেন। মাহমুদার বাবা মোশাররফ হোসেনের করা ওই মামলায় বাবুলসহ আটজনকে আসামি করা হয়। সর্বশেষ গত ২৩ অক্টোবর এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা নামের এক আসামি বাবুলকে তাঁর স্ত্রী খুনের নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন