বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বন্ধের দিন থাকায় ইটভাটায় কোনো শ্রমিক কর্মরত ছিলেন না। ধীরাজ পাল একা ব্যবস্থাপকের দপ্তরে ছিলেন। বেলা দুইটার দিকে ইটভাটার সহকারী ব্যবস্থাপক ধীরাজকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর মাধ্যমে ইটভাটা পরিচালনায় থাকা আরও একজন তাঁকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে সিলেট এম জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন বলে জানান।

ইটভাটার সহকারী ব্যবস্থাপক মিনুর মিয়া বলেন, ইটভাটার পাশের একটি মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে ব্যবস্থাপকের দপ্তরে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেন। এ সময় ইটভাটার ক্যাশবাক্স ভাঙা দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ক্যাশবাক্স লুট করতেই ব্যবস্থাপককে কুপিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। ধীরাজের মাথার পেছনে উপর্যুপরি কোপ ও পায়ের দুটি স্থানে ক্ষত পাওয়া গেছে।

পুলিশের একটি দল লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান। শুক্রবার বিকেলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যা না দুর্বত্তপনা, বিষয়টি তদন্তের পাশাপাশি হত্যাকারীদের শনাক্ত করা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন