default-image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়নের একটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনিসুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রীর (১৩) বিয়ের আয়োজন চলছিল। বরের (২৩) বাড়ি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের তেয়াশিয়া গ্রামে। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে ছাত্রীর বাড়িতে যান ইউএনও। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান টের পেয়ে বরপক্ষের লোকজন পালিয়ে যান। কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বর ও কনের মাকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

এ সময় কনের মাকে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে বোঝানো হলে তিনি ভুল বুঝতে পারেন এবং মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করেন পেশকার হাফিজ উদ্দিন ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

ইউএনও আনিসুর রহমান আজ বুধবার দুপুরে বলেন, বাল্যবিবাহবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। বেলকুচি উপজেলাকে বাল্যবিবাহমুক্ত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0